রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মুন্সীগঞ্জের সম্মেলন কক্ষে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পূর্ববর্তী সরকারের গাফিলতিতে টিকা কর্মসূচিতে সংকট পূর্ববর্তী সরকারের গাফিলতিতে টিকা কর্মসূচিতে সংকট উজিরপুরে বসত বাড়িতে হামলা ও নারীদের হেনস্তার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু প্রেস ক্লাব চত্বরে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন মারা গেছেন বাংলাদেশকে ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জনকল্যাণে জামায়াত নেতাকর্মীদের উৎসর্গিত হতে হবে: ডাঃ আব্দুল্লাহ মুঃ তাহের আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে কাজের প্রত্যয় কালিগঞ্জ থানায় নতুন ওসি শহিদুল ইসলাম

উজিরপুরে বসত বাড়িতে হামলা ও নারীদের হেনস্তার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

উজিরপুর প্রতিনিধি: বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের নরসিংহা গ্রামের আব্বাস হাজীর বাড়িতে দলবদ্ধ ভাবে হামলা, ভাঙচুর, সীমানা বেড়া উচ্ছেদ, নারীদের ইভটিজিং ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সভা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

২০ জুন শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগীদের নিজস্ব বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাদের পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী মো. জাহিদুর রহমান ফকির, মো. কামরুল ইসলাম বাচ্চু, সিরাজুল হক, এফএম কবির, মো. হাফিজুর রহমান পান্নু, লুৎফুন্নেছা বীথি ও রোজিনা বেগমসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. জাহিদুর রহমান ফকির। তিনি বলেন, নরসিংহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করা হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্ভেয়ার পাঠানো হয়। গত ১৮ জুন বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ডভুক্ত ২৪ শতাংশ জমি রেকর্ড অনুযায়ী পরিমাপ করে চারদিকে সীমানা চিহ্নিত করা হয়।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে তাদের বাড়ির নিরাপত্তার স্বার্থে গত ৭ জুন অস্থায়ী পিলার ও জিআই তার দিয়ে সীমানা বেড়া নির্মাণ করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে নরসিংহা গ্রামের মো. কাইয়ুম খান, মো. মিজানুর রহমান খান (মহব্বত), সাহেব আলী বেপারী, মিরাজ বেপারী, রিয়াজ হোসেন বেপারী, রাসেল খান, ফারুক হাওলাদার, রফিকুল ইসলাম শামিম, ইমরান খান ও মানিক ফকিরসহ ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করে।

অভিযোগে বলা হয়, মানববন্ধনের নামে ওই দলটি স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কায়দায় তাদের বাড়ির সীমানা পিলার ও বেড়া ভেঙে ফেলে। একপর্যায়ে তারা বসতবাড়িতে প্রবেশ করে ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রাণনাশের হুমকি এবং পরিবারের নারী সদস্যদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও ইভটিজিং করে।

ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করে, বিদ্যালয়ের জমিদাতা হওয়া সত্ত্বেও একটি মহল তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে পরিকল্পিতভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং যেকোনো সময় আরও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, তাদের বসতবাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গৃহসম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানা।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: