রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
দুর্গাপূজায় প্রহরীর ভূমিকায় থাকবে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সব জাতিগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার ভিত্তি গড়েছিলেন জিয়াউর রহমান: পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু ওল্ড ট্রাফোর্ডে হাতাহাতি, লাল কার্ড: শেষ মুহূর্তে গোল করে ১০ জনের টটেনহাম রুখে দিল ইউনাইটেডকে গণতন্ত্রের পূর্ণতা দিতে হবে কার্যকর সংসদে: জহির উদ্দিন স্বপন ভারতের জেন-জি আন্দোলনে সংহতি জানালেন নাহিদ ইসলাম কোনো এক উপজেলায় বিশেষ সুবিধা নয়, উন্নয়ন হবে সুষম: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি রক্ষায় দলীয় নেতাদের সজাগ থাকার নির্দেশনা সাতক্ষীরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও সমাবেশ ঘিওরে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা এমপি জিন্নাহ কবির

শেরপুরে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) করতে এসে এক রোহিঙ্গা যুবক আটক

মো. মাকসুদুর রহমান, জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর : শেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) করতে এসে এক রোহিঙ্গা যুবক ধরা পড়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে তাকে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়। রোহিঙ্গা ওই যুবকের নাম মো. আমিন। তিনি কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

পুলিশ ও জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে ওই রোহিঙ্গা যুবক নিজের নাম আলম মিয়া উল্লেখ করে এনআইডির জন্য আবেদন করতে শেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসে আসেন। তিনি বাবার নাম হিসেবে আলী এবং শেরপুর পৌরসভার কসবা মোল্লাপাড়া ও শিবুত্তর এলাকাকে নিজের ভোটার এলাকা হিসেবে দাবি করেন। তবে তার কথাবার্তা ও নথিপত্র যাচাইয়ের সময় নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে রোহিঙ্গা বলে স্বীকার করেন ওই যুবক। পরে জানা যায়, তার আসল নাম মো. আমিন।

আরও পড়ুন

তিনি কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা এবং মূলত মিয়ানমারের নাগরিক। তার পিতার নাম জাহিদ হোসেন ও মাতার নাম গুলবাহার। আটক রোহিঙ্গা যুবক মো. আমিন বলেন, আমি কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি ক্যাম্পে থাকি। এ দেশের নাগরিক হওয়ার আশায় ভোটার আইডি কার্ড করতে শেরপুরে এসেছিলাম। কাজের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র পেলে সুবিধা হবে ভেবেই আলম নামে আবেদন করেছিলাম।

এ বিষয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই যুবকের কাগজপত্র ও সন্দেহজনক আচরণ দেখে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করি। পরে তিনি নিজেই তার রোহিঙ্গা পরিচয় স্বীকার করেন। পরে তাকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুবায়দুল আলম বলেন, রোহিঙ্গা যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার সাথে আরও কারা জড়িত আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসাথে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: