রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মুন্সীগঞ্জে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জেলা পর্যায়ের সেমিনার অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-২ ইতনা গণহত্যার শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবীতে লোহাগড়ায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বনপাড়ায় রাস্তার কাজে অনিয়ম: সরকারি গাড়ি পরিহার করে ছুটির দিনেও মাঠে পৌর প্রশাসক গোপালগঞ্জে ‘প্রজ্বলিত গোপালগঞ্জ’-এর গণ-মানববন্ধন শিশু রা‌মিসা‌কে উৎসর্গিকৃত ক‌বিতা প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে: বিমানবন্দর থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ভূমি ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ গৌরনদীর এসিল্যান্ডের নড়াইলে মসজিদের চাল আদায় ও কমিটি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১২ ধনবাড়ীতে পুন:খাল খনন পরিদর্শন ইউএনও’র

শেরপুরে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) করতে এসে এক রোহিঙ্গা যুবক আটক

মো. মাকসুদুর রহমান, জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর : শেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) করতে এসে এক রোহিঙ্গা যুবক ধরা পড়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে তাকে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়। রোহিঙ্গা ওই যুবকের নাম মো. আমিন। তিনি কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

পুলিশ ও জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে ওই রোহিঙ্গা যুবক নিজের নাম আলম মিয়া উল্লেখ করে এনআইডির জন্য আবেদন করতে শেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসে আসেন। তিনি বাবার নাম হিসেবে আলী এবং শেরপুর পৌরসভার কসবা মোল্লাপাড়া ও শিবুত্তর এলাকাকে নিজের ভোটার এলাকা হিসেবে দাবি করেন। তবে তার কথাবার্তা ও নথিপত্র যাচাইয়ের সময় নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে রোহিঙ্গা বলে স্বীকার করেন ওই যুবক। পরে জানা যায়, তার আসল নাম মো. আমিন।

আরও পড়ুন

তিনি কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা এবং মূলত মিয়ানমারের নাগরিক। তার পিতার নাম জাহিদ হোসেন ও মাতার নাম গুলবাহার। আটক রোহিঙ্গা যুবক মো. আমিন বলেন, আমি কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি ক্যাম্পে থাকি। এ দেশের নাগরিক হওয়ার আশায় ভোটার আইডি কার্ড করতে শেরপুরে এসেছিলাম। কাজের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র পেলে সুবিধা হবে ভেবেই আলম নামে আবেদন করেছিলাম।

এ বিষয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই যুবকের কাগজপত্র ও সন্দেহজনক আচরণ দেখে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করি। পরে তিনি নিজেই তার রোহিঙ্গা পরিচয় স্বীকার করেন। পরে তাকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুবায়দুল আলম বলেন, রোহিঙ্গা যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার সাথে আরও কারা জড়িত আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসাথে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: