শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মে দিবসে শ্রমিক অধিকারের দাবিতে সংযুক্ত শ্রমিক ফেডারেশনের র‌্যালি ও সমাবেশ ​ঘাম ও বঞ্চনার আখ্যান : মে দিবসের আত্মজিজ্ঞাসা ও বাংলাদেশের বাস্তবতা-মুকুল হোসেন ঘামে গড়া অর্থনীতি: শ্রমিক কি পেয়েছে তার ন্যায্য অধিকার? কে এম মোবারক উল্ল্যাহ শিমুল” ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে চৌদ্দগ্রাম শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান মে দিবস ও পেশাগত স্বাস্থ্য-সেফটি দিবস পালিত নড়াইলে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে আলোচনা ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত ইতালিতে আপন ভাইকে খুন, ভিডিও কলে দেখালেন পরিবারকে অপরিবর্তিত দল নিয়েই তৃতীয় টি–টোয়েন্টিতে নামছে বাংলাদেশ শ্রমিক দিবসে যে বার্তা দিলেন শাকিব খান কারাগার থেকে গৃহবন্দী করা হয়েছে অং সান সু চিকে

ভারতের শিরোপা স্বপ্নে বাধা কেকেআরের তিন অস্ত্র

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। কাগজে–কলমে এটি দুই দেশের লড়াই হলেও মাঠের ভেতরে যেন আরেকটি দ্বৈরথও চলছে—ভারত বনাম কলকাতা নাইট রাইডার্স। কারণ আইপিএলের এই ফ্র্যাঞ্চাইজির তিন ক্রিকেটারই ভারতীয় স্বপ্নের বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেন।

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফাইনালে উঠেছে ভারত। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি এখন সূর্যকুমার যাদবদের সামনে। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারলেই শিরোপা ধরে রাখবে তারা। অতীতের স্মৃতিও ভারতের আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে। গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালেও নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিল ভারত।

তবে এবারের ফাইনালে কিউই শিবিরের তিন ক্রিকেটার ভারতীয়দের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠতে পারেন। তারা হলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের ফিন অ্যালেন, টিম সেইফার্ট ও রাচিন রবীন্দ্র।

বিশ্বকাপের আগে পাঁচ ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে ৪–১ ব্যবধানে হারিয়েছিল ভারত। টুর্নামেন্টজুড়েও তারা ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। ঘরের মাঠে ফাইনাল হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে ভারত। তবে কিউই দলে থাকা এই তিন ক্রিকেটারের কারণে নিশ্চিন্ত থাকতে পারছে না তারা।

ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে ওপেনিং জুটি ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফার্ট। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেমিফাইনালে জয়ের ভিত গড়ে দেন তারা। পুরো বিশ্বকাপজুড়েই দারুণ ফর্মে আছেন সেইফার্ট। আট ম্যাচে তিনি করেছেন ২৭৪ রান, গড় ৪৫ দশমিক ৬৬ এবং স্ট্রাইক রেট ১৬১ দশমিক ১৭। তিনটি অর্ধশতকও রয়েছে তার ঝুলিতে।

অন্যদিকে অ্যালেন যেন আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের প্রতীক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাত্র ৩৩ বলে অপরাজিত ১০০ রান করে ম্যাচের চেহারা বদলে দেন তিনি। মাঠের চারদিকে সাবলীল শট খেলার ক্ষমতা এবং আক্রমণাত্মক মানসিকতা তাকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে। ফাইনালেও একই ছন্দ ধরে রাখতে পারলে ভারতীয় বোলারদের জন্য বড় পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

নিউজিল্যান্ডের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র অলরাউন্ডার রাচিন রবীন্দ্র। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই ক্রিকেটার ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও সমান কার্যকর। এবারের বিশ্বকাপে স্পিনার হিসেবে ইতিমধ্যে ১১টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্ট সেরার লড়াইয়েও রয়েছেন রাচিন।

ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ভারতের বৃহত্তম ক্রিকেট ভেন্যু নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। লক্ষাধিক দর্শকের প্রত্যাশা ও চাপ সামলাতে হবে দুই দলকেই। উইকেট ও আবহাওয়ার পরিস্থিতিও ম্যাচের কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সব মিলিয়ে ফাইনাল কেবল ভারত ও নিউজিল্যান্ডের লড়াই নয়। অনেকটাই নির্ভর করছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই তিন ক্রিকেটারের ওপরও। অ্যালেন, সেইফার্ট ও রাচিনকে থামাতে পারলেই টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল হবে ভারতের।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: