রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মুন্সীগঞ্জে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জেলা পর্যায়ের সেমিনার অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-২ ইতনা গণহত্যার শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবীতে লোহাগড়ায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বনপাড়ায় রাস্তার কাজে অনিয়ম: সরকারি গাড়ি পরিহার করে ছুটির দিনেও মাঠে পৌর প্রশাসক গোপালগঞ্জে ‘প্রজ্বলিত গোপালগঞ্জ’-এর গণ-মানববন্ধন শিশু রা‌মিসা‌কে উৎসর্গিকৃত ক‌বিতা প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে: বিমানবন্দর থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ভূমি ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ গৌরনদীর এসিল্যান্ডের নড়াইলে মসজিদের চাল আদায় ও কমিটি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১২ ধনবাড়ীতে পুন:খাল খনন পরিদর্শন ইউএনও’র

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানালেন জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (১৬ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন জামায়াত আমির।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একসময় কার্যত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। নদীগুলো সচল ছিল। নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন এবং কৃষিক্ষেত্রে নদী ছিল বিশাল নিয়ামক শক্তি। তার পাশাপাশি মৎস্যসম্পদ, জমির উর্বরা সংরক্ষণ এবং বর্ষাকালে পানিপ্রবাহ সঠিক থাকার কারণে ঘন ঘন বন্যা এবং এই জনিত দুর্ভোগের প্রাদুর্ভাব কমই হতো। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে একদিকে ফারাক্কা বাঁধের অভিশাপ, অন্যদিকে প্রধান প্রধান নদীগুলোসহ সব গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদী, খাল এবং বিল ভরাট হওয়ার ফলে একসময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন ভরা মৌসুমে পানি ধারণ করতে পারে না। ফলে অকাল বন্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, শুকনা মৌসুমে মরুভূমির রূপ ধারণ করে। বর্ষায় পানির প্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি প্রধান প্রধান শহর ও নগরগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। আবার শুকনা মৌসুমে যেখানে নৌ চলাচল ও কৃষির জন্য পানির প্রয়োজন হয় সেখানে ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করার মতো পানি থাকে না।

তিনি আরও বলেন, অতএব দেশ বাঁচাতে হলে প্রধান প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং সম্পন্ন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের উচিত হবে দেশ বাঁচানোর স্বার্থে নদ-নদীগুলোর জীবন ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা। মনে রাখতে হবে অতীতে ড্রেজিংয়ের নামে, নদীশাসনের নামে, নদী সংস্কারের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও তার কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। কারণ লুটপাটতন্ত্র ছিল তখন শাসকদের মূলনীতি। সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার কোনো বিকল্প নেই।

জামায়াত আমির বলেন, দেশবাসীর আমানত সর্বোত্তম পন্থায় স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব। সরকার মূলত দেশবাসীর পক্ষে সব কর্মকাণ্ডে ব্যবস্থাপকের ভূমিকা পালন করবে। এমনকি খাল খননের সুফল তখনই পাওয়া যাবে, যখন নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাবে, নাব্যতা ফিরে পাবে। অন্যথায় খাল খনন থেকেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবে না।

 


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: