শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বিদেশি ঋণ আর সহায়তা জাতিকে কোমর সোজা করে দাঁড়াতে দেবে না ফের পয়েন্ট হারিয়ে শিরোপার লড়াই কঠিন করে তুলল রিয়াল মাদ্রিদ চট্টগ্রাম শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট মার্চে সড়কে ঝরেছে ৫৩২ প্রাণ: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন শোক কাটিয়ে শুটিংয়ে ফিরলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার ইসলামাবাদে আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন ইরানি প্রতিনিধি দলের ৭১ জন সদস্য কালিয়াকৈর চন্দ্রা এি মোড়ে তাকওয়া পরিবহন মরণযান ও জ্যাম সৃষ্টির মুল কারণ নড়াইলের কালিয়ায় অবৈধভাবে মজুদ ৪০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ, জরিমানা ও আটক ১ বরিশালে স্বামীর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের দাবিতে স্ত্রী-সন্তানদের সংবাদ সম্মেলন বিশ্বমঞ্চে ব্রাজিলের দাপট কমার কারণ জানালেন রোমারিও

ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নোয়াখালীতে মিথ্যা ধর্ষণ চেষ্টা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

হান্নান শাকুর, নোয়াখালী :: নোয়াখালী চাটখিল উপজেলার ০২ নং রামনারায়নপুর ইউনিয়নের ছোবহানপুর গ্রামে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আপন ছোট ভাই ও ভাতিজার বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ভাতিজা পিয়াস (১৭) কে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী অবিলম্বে এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায়, ছোহানপুর গ্রামের সাজুনি বাড়ির মৃত আবদুর রশিদের ছেলে আনোয়ারুল হকের সাথে তার বড় ভাই মমিনুল হকের সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ ও মামলা চলে আসছিল। সম্প্রতি সারাদেশে ধর্ষণের ঘটনার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মমিনুল হক তার মেয়েকে দিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার মিথ্যা নাটক সাজিয়ে গত শনিবার চাটখিল থানায় ধর্ষণ চেষ্টার মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।

আনোয়ারুল হক অভিযোগ করে বলেন, তাকে ও তার ছেলেকে ফাঁসাতে তার ভাই মমিনুল হক নিজের মেয়েকে ভিকটিম বানিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার নাটক সাজান। উক্ত সাজানো মামলায় তার নিরাপরাধ ছেলে পিয়াস নোয়াখালী জেলা কারাগারে জেল খাটছে। তাছাড়া যাদের সাক্ষী দেয়া হয়েছে তারা ২০০৭ সালে তাকে, তার পরিবার ও তার শশুর বাড়ির লোকজনকে ধর্ষণ মামলা দিয়ে হয়রানি করে।

মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত উক্ত মামলা খারিজ করে দেয়। এইভাবে তার ভাই দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করে আসছে। তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ কোন রকম তদন্ত ছাড়াই মামলা গ্রহণ করে তাদের হয়রানি করছে। তাই এ ব্যাপারে তিনি পুলিশ সুপার মহোদয়ের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

একই বাড়ির ফজলে আজম ও আমির হোসেনসহ অনেকে জানায়, দুই ভাইয়ের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘ দিন থেকে ঝগড়া-বিবাধ ও মামলা-মকদ্দমা চলে আসছিল। এরই জের ধরে সারাদেশে ধর্ষণের ঘটনার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পিয়াসকে ফাঁসানো হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ধর্ষণ বা ধর্ষণ চেষ্টা এ জাতীয় কোন ঘটনাই ঘটে নি। মমিনুল হক একজন মামলাবাজ। তাই মামলা সাজাতে এই নাটক সাজায়।

মমিনুল হকের পাশের ঘরের ওয়ারেন্ট অফিসার হারুনুর রশিদের স্ত্রী ফাতেমা বেগম জানায়, তাদের ঘরের সাথে আমাদের ঘর। ধর্ষণ চেষ্টা বা মারামারির কোন ঘটনা ঘটলে সবার আগে আমরা বলতে পারতাম। এই রকম কোন ঘটনাই ঘটেনি। পিয়াস অত্যন্ত ভালো ছেলে। তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

এ বিষয়ে চাটখিল থানার ওসি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, মামলার আলোকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলাটি আদালতে চলমান। তাই আদালতের মাধ্যমে তদন্তে প্রকৃত ঘটনার তথ্য বেরিয়ে আসবে।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: