শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
কালিয়াকৈর মিথ্যা ভিত্তিহীন ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মুকসুদপুরে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ: শর্ত ভঙ্গ ও প্রাণনাশের হুমকিতে আতঙ্কে পরিবার লক্ষ্মীপুরে সিরিয়াল ভঙ্গকারী বাইকারকে তেল না দেওয়ায় দোকানীকে মারধর টিকা কেনা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কী ঘটেছিল? হিন্দুদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: সন্তোষ শর্মা মুন্সীগঞ্জ পৌর শিশুপার্কের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করেন মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান রতন নতুন বছরকে স্বাগতম – নার্গিস আক্তার মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পেল ঢাকা-১৭ আসনে ৪টি মন্দির

জুনায়েদ বাগদাদী (রহঃ) ও চোরের একটি শিক্ষামূলক ঘটনা

হযরত জুনায়েদ বাগদাদী (রহঃ) সব দেখছিলেন ঘরের কোনায় বসে। তার মায়া হলো যে, শীতের রাতে এভাবে লোকটি কষ্ট করে ঘরে ঢুকল কিন্তু হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে। চোর যখন সিঁধের কাছাকাছি তখন জুনায়েদ বললেন, এই দাঁড়াও। লোকটি চমকে ওঠে পেছনে তাকাল। চোর তাড়াহুড়ো করে পালাতে পারবে না ভেবে দাঁড়িয়ে রইল।

জুনায়েদ কাছে এসে বললেন, খালি হাতে ফেরত যাচ্ছ কেন?

চোর বিষ্মিত হলো এবং বলল, নেয়ার মতো কিছুই খুঁজে পাই নি।

জুনায়েদ বাগদাদী বললেন, তুমি দাঁড়াও। আমি খুঁজে দিচ্ছি। এই বলে তিনি ভেতরে গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর মাটির একটা পাত্র এনে বললেন, এটাই নিয়ে যাও।

চোর বলল, এটা দিয়ে আমি কি করব?

জুনায়েদ বাগদাদী বললেন, আমি যা করি তুমি তা-ই করবে।

চোর বলল, আপনি কি করেন?

জুনায়েদ বাগদাদী বললেন, আমি ওযু করি।

লোকটি বলল, আমি ওযু করতে পারি না।

জুনায়েদ বাগদাদী বললেন, এসো! আমি শিখিয়ে দেই। ওযু শেখার পর সে বলল, ওযু করে আমি কি করব?

জুনায়েদ বাগদাদী বললেন, আমি যা করি তুমিও তাই করবে।

লোকটি তখন বলল, আমি তো নামাজ পড়া জানি না।

জুনায়েদ বললেন, এসো! আমি নামাজ শিখিয়ে দেই।

তিনি জায়নামাজে দাঁড়িয়ে লোকটিকে পাশে দাঁড় করালেন এবং নামাজ শেখালেন।

এরপর দোয়া করলেন, হে আল্লাহ! তাকে জায়নামাজে দাঁড় করিয়েছি। আমার এইটুকুই ক্ষমতা ছিল। আমার ক্ষমতা এখানেই শেষ। তার মনের ওপর আমার কোনো ক্ষমতা নেই। কিন্তু তোমার ক্ষমতার শেষ নেই। তুমি তার মনকে পরিশুদ্ধ করো। পাপ কাজ থেকে বিরত রেখো।

স্বাধীন – এম হাছান উদ্দিন মিয়াজী

দোয়া শেষ হবার পর লোকটি হাউমাউ করে কেঁদে ওঠল। সারাজীবন অনেক ভুল হয়ে গেছে। পবিত্র জীবনের জন্যে অনুশোচনা বোধ এবং স্রষ্টার কাছে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা অনেক প্রয়োজন। লোকটি কাঁদতে কাঁদতে একসময় প্রশান্ত হলো। এবং অনুভব করল স্রষ্টা তাকে ক্ষমা করেছেন।

বিশাল বড় ভুল করে ক্ষমা লাভের জন্যে সাত সমুদ্র পানির দরকার নেই। বরং স্রষ্টার কাছে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা এবং চোখের কয়েক ফোঁটা পানিই যথেষ্ট।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: