শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
কুলাউড়ায় রেলওয়ের পরিত্যক্ত ভবন ও হাজার একর জমি অবৈধ দখলে চৌদ্দগ্রামে বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ লোহাগড়ায় মতবিনিময় সভা ও পৌর শাখা কমিটি গঠন দেশসেরা স্প্রিন্টার জাকির হোসেনকে জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জ্ঞাপন ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা শ্রাবণে উপবাস ভাঙুন পুষ্টিকর শুকনো ফলের লাড্ডুতে, রইল সহজ রেসিপি সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হলো বাংলাদেশ প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে রাতে রাজধানী পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী ইউরেনাসের চাঁদ এরিয়েলে ছিল ১৬০ কিলোমিটার গভীর মহাসাগর: গবেষণা সাতক্ষীরায় মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী বিপ্লবী রাজিয়া খাতুনের ১৭তম প্রয়ান দিবস আজ

স্টাফ রিপোর্টার : বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী বিপ্লবী রাজিয়া খাতুনের আজ ১৭ তম প্রয়ান দিবস। ২০০৭ সালে ৫ ফেব্রুয়ারী এই দিনে ৯১ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
রাজিয়া খাতুন মাত্র ১২ বছর বয়সে কংগ্রেস পার্টির সদস্য পদ লাভ করে দিলেন। পরে জামালপুর মহকুমা কংগ্রেসের যুগ্ন-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৩৪-১৯৪৮ সাল পর্যন্ত জামালপুর গান্ধী আশ্রমের পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৩৯ সালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির অধিবেশনে যোগদান করেন। ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির (সিপিবি) সদস্যপদ লাভ করেন।বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ময়মনসিংহ জেলা সংসদের সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন। নারী নির্যাতন ও সামাজিক অনাচার প্রতিরোধ কমিটি ময়মনসিংহ জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বিপ্লবী রাজিয়া খাতুন।

রাজিয়া খাতুন জামালপুর জেলা সদর উপজেলার মেষ্টা ইউনিয়নের পাঁচগাছি গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতা নাসির উদ্দিন সরকার বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন। তিনি অবিভক্ত ভারতবর্ষের অল বেঙ্গল কংগ্রেস কমিটির সদস্য ছিলেন। রাজিয়া খাতুনের মাতা আছিরন বিবি একজন আদর্শ গৃহিনীর পাশাপাশি স্বামীর রাজনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতি উৎসাহী ও আগ্রহী ছিলেন। বঙ্গাব্দ ১৩৩৪ সনের দিকে রাজিয়া খাতুন নিজ বাড়ী কাপাসহাটিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা শুরু করেন। প্রগতিশীল পরিবারের মেয়ে হওয়া সত্বেও ধর্মীয় গোড়ামী ও প্রতিকূল রক্ষণশীল সামাজিক পরিবেশের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় বেশিদূর অগ্রসর হতে পারেন নাই। তাই পিতার ইচ্ছানুযায়ী গৃহে লেখাপড়া করে জ্ঞান সঞ্চয় করেন এবং পিতার অনুপ্রেরণায়ই তখন থেকেই রাজনীতি ও সমাজসেবার দিকে গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়ে পিতার যাবতীয় কর্মকান্ডে সহায়তা করতে থাকেন।

চিরকুমারী রাজিয়া খাতুন বৃদ্ধকালেও নিজ কাজে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। রাজিয়া খাতুনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ময়মনসিংহে মহিলা পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বেশ কিছুকাল ময়মনসিংহ জেলা মহিলা পরিষদের সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।


Classic Software Technology
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগিতায়: